দশম শ্রেণি বারিমণ্ডল MCQ প্রশ্ন উত্তর | Class 10 Barimondol MCQ

১। শীতল ল্যাব্রাডর ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের মিলনের ফলে ঘন কুয়াশা ও ঝড়ঝঞ্ঝার সৃষ্টি হয়— (ক) আইসল্যান্ড (খ) নিউফাউন্ডল্যান্ড (গ) গ্রিনল্যান্ড (ঘ) নেদারল্যান্ড-এর কাছে। উত্তরঃ (খ) নিউফাউন্ডল্যান্ড ✓


২। উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোত যে স্থানে মিলিত হয়, তাকে বলে— (ক) হিমপ্রাচীর (খ) হিমশৈল (গ) হিমানী সম্প্রপাত (ঘ) হিমগুল্ম। উত্তরঃ (ক) হিমপ্রাচীর ✓


৩। গ্র্যান্ড ব্যাংক মগ্নচড়া অবস্থিত— (ক) আটলান্টিক (খ) প্রশান্ত (গ) ভারত (ঘ) সুমেরু মহাসাগরে। উত্তরঃ (ক) আটলান্টিক ✓


৪। বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র গড়ে ওঠার উপযোগী ক্ষেত্র হল— (ক) শৈবাল সাগর (খ) মহীঢাল (গ) মগ্নচড়া (ঘ) গভীর সমুদ্র। উত্তরঃ (গ) মগ্নচড়া ✓


৫। দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত একটি শীতল স্রোত হল— (ক) ব্রাজিল স্রোত (খ) বাহামা স্রোত (গ) পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত (ঘ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত। উত্তরঃ (ঘ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত ✓


৬। সমুদ্রের অধিক লবণাক্ত জল প্রবাহিত হয়— (ক) পৃষ্ঠস্রোত (খ) বহিঃস্রোত (গ) অন্তঃস্রোত (ঘ) উল্লম্ব স্রোত রূপে। উত্তরঃ (গ) অন্তঃস্রোত ✓


৭। ব্রাজিল স্রোত সৃষ্টি হয়েছে— (ক) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত (খ) দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত (গ) উপসাগরীয় স্রোত (ঘ) নিরক্ষীয় প্রতিস্রোত থেকে। উত্তরঃ (খ) দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত ✓


৮। বেরিং স্রোত প্রবাহিত হয়— (ক) ভারত মহাসাগরে (খ) প্রশান্ত মহাসাগরে (গ) সুমেরু মহাসাগরে (ঘ) আটলান্টিক মহাসাগরে। উত্তরঃ (খ) প্রশান্ত মহাসাগরে ✓


৯। মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক স্রোতের মিলিত শাখা হল— (ক) কামচাটকা (খ) কুরোশিয়ো (গ) আগুলহাস (ঘ) পেরু স্রোত। উত্তরঃ (গ) আগুলহাস ✓


১০। উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে দেখা যায়— (ক) রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া (খ) প্রবল শৈত্যপ্রবাহ (গ) প্রখর উষ্ণতা (ঘ) কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি। উত্তরঃ (ঘ) কুয়াশা ও ঝড়বৃষ্টি ✓


১১। উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত প্রভাবিত হয় যে বায়ুপ্রবাহ দ্বারা, সেটি হল— (ক) আয়ন বায়ু (খ) পশ্চিমা বায়ু (গ) মেরু বায়ু (ঘ) মৌসুমি বায়ু। উত্তরঃ (ক) আয়ন বায়ু ✓


১২। পৃথিবীর মোট আয়তনের জলভাগ দ্বারা আবৃত অংশ প্রায়— (ক) 61% (খ) 81% (গ) 71% (ঘ) 91%। উত্তরঃ (গ) 71% ✓


১৩। উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের মিলনস্থলে সৃষ্টি হতে পারে না— (ক) হিমপ্রাচীর (খ) শৈবাল সাগর (গ) মগ্নচড়া (ঘ) ঘন কুয়াশা। উত্তরঃ (খ) শৈবাল সাগর ✓


১৪। মগ্নচড়া সৃষ্টি হয়— (ক) শীতল স্রোতের কারণে (খ) উষ্ণ ও শীতল স্রোতের কারণে (গ) হিমশৈলের কারণে (ঘ) উষ্ণ স্রোতের কারণে। উত্তরঃ (খ) উষ্ণ ও শীতল স্রোতের কারণে ✓


১৫। ভারত মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোত যেটি মৌসুমি স্রোতে পরিণত হয়, তা হল— (ক) হামবোল্ড (খ) ইরমিঙ্গার (গ) ক্যানারি (ঘ) সোমালি স্রোত। উত্তরঃ (ঘ) সোমালি স্রোত ✓


১৬। বেঙ্গুয়েলা স্রোত হল আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রবাহিত— (ক) ঊর্ধ্বগামী শীতল স্রোত (খ) নিম্নমুখী উষ্ণ স্রোত (গ) নিম্নগামী শীতল স্রোত (ঘ) ঊর্ধ্বগামী উষ্ণ স্রোত। উত্তরঃ (ক) ঊর্ধ্বগামী শীতল স্রোত ✓


১৭। ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত দেখা যায়— (ক) প্রশান্ত (খ) ভারত (গ) কুমেরু (ঘ) আটলান্টিক মহাসাগরে। উত্তরঃ (ক) প্রশান্ত ✓


১৮। পৃথিবীর আবর্তন গতি অনুসারী সমুদ্রস্রোতটি হল— (ক) উত্তর নিরক্ষীয় (খ) কুমেরু (গ) নিরক্ষীয় প্রতিস্রোত (ঘ) উপসাগরীয় স্রোত। উত্তরঃ (গ) নিরক্ষীয় প্রতিস্রোত  ✓


১৯। আগুলহাস স্রোত দেখা যায়— (ক) ভারত (খ) কুমেরু (গ) প্রশান্ত (ঘ) আটলান্টিক মহাসাগরে। উত্তরঃ (ক) ভারত ✓


২০। যে শীতল স্রোতটি তিনটি প্রধান মহাসাগরেই দেখা যায়, তা হল— (ক) ক্যানারি স্রোত (খ) পেরু স্রোত (গ) কুমেরু স্রোত (ঘ) বেরিং স্রোত। উত্তরঃ (গ) কুমেরু স্রোত ✓


২১। আফ্রিকার কালাহারি মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে— (ক) কুরোশিয়ো স্রোত (খ) উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত (গ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত (ঘ) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত দ্বারা। উত্তরঃ (গ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত ✓


২২। কানাডার পূর্ব উপকূলে অতি শীতল আবহাওয়া সৃষ্টিকারী সমুদ্রস্রোত হল— (ক) হামবোল্ড স্রোত (খ) বেঙ্গুয়েলা স্রোত (গ) ল্যাব্রাডর স্রোত (ঘ) ওয়াশিয়ো স্রোত। উত্তরঃ (গ) ল্যাব্রাডর স্রোত ✓


২৩। যে স্রোতের সঙ্গে আসা হিমশৈলের ধাক্কায় ১৯১২ সালে টাইটানিক জাহাজটি নিমজ্জিত হয়েছিল, তা হল— (ক) ক্যানারি স্রোত (খ) বেরিং স্রোত (গ) পেরু স্রোত (ঘ) ল্যাব্রাডর স্রোত। উত্তরঃ (ঘ) ল্যাব্রাডর স্রোত ✓


২৪। আটলান্টিকের নিউফাউন্ডল্যান্ড অঞ্চলে প্রচুর হিমশৈল বহন করে আনে— (ক) জাপান স্রোত (খ) ক্যানারি স্রোত (গ) উপসাগরীয় স্রোত (ঘ) ল্যাব্রাডর স্রোত। উত্তরঃ (ঘ) ল্যাব্রাডর স্রোত ✓


২৫। কোন্ স্রোতের প্রভাবে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও নরওয়ে উপকূল সারাবছর বরফমুক্ত থাকে?— (ক) কুরোশিয়ো স্রোত (খ) উত্তর আটলান্টিক স্রোত (গ) উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত (ঘ) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত। উত্তরঃ (খ) উত্তর আটলান্টিক স্রোত ✓


২৬। গ্র্যান্ড ব্যাংক সৃষ্টি হয় যে দুটি সমুদ্রস্রোতের মিলনের ফলে, সেটি হল— (ক) উত্তর আটলান্টিক ও ক্যানারি স্রোত (খ) উপসাগরীয় ও ল্যাব্রাডর স্রোত (গ) ক্যানারি ও ল্যাব্রাডর স্রোত (ঘ) ওয়াশিয়ো ও কুরোশিয়ো স্রোত। উত্তরঃ (খ) উপসাগরীয় ও ল্যাব্রাডর স্রোত ✓


২৭। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের কাছে অবস্থিত ডগার্স ব্যাংক নামক মগ্নচড়াটির সৃষ্টি হয়েছে— (ক) আটলান্টিক মহাসাগরে (খ) ভারত মহাসাগরে (গ) উত্তর সাগরে (ঘ) জাপান সাগরে। উত্তরঃ (গ) উত্তর সাগরে ✓


২৮। সাহারা মরুভূমি সৃষ্টিতে পরোক্ষভাবে সাহায্য করে— (ক) ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত (খ) ক্যানারি স্রোত (গ) সোমালি স্রোত (ঘ) আগুলহাস স্রোত। উত্তরঃ (খ) ক্যানারি স্রোত ✓


২৯। দক্ষিণ গোলার্ধে সমুদ্রস্রোত বামদিকে বিক্ষিপ্ত হয়, কারণ— (ক) পৃথিবীর আবর্তন গতি (খ) পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি (গ) বায়ুপ্রবাহ (ঘ) সমুদ্রজলের ঘনত্বের পার্থক্য। উত্তরঃ (ক) পৃথিবীর আবর্তন গতি ✓


৩০। শৈবাল সাগর সৃষ্টিতে যে সমুদ্রস্রোতটি দায়ী নয়, তা হল— (ক) দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত (খ) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত (গ) উপসাগরীয় স্রোত (ঘ) ক্যানারি স্রোত। উত্তরঃ (ক) দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত ✓


৩১। কোনো স্থানের মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের (দুটি জোয়ারের) মধ্যে সময়ের ব্যবধান— (ক) 12 ঘণ্টা (খ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট (গ) 24 ঘণ্টা (ঘ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট। উত্তরঃ (খ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট ✓


৩২। মরা কোটালের সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে প্রদত্ত কোণে অবস্থান করে— (ক) 180° (খ) 360° (গ) 90° (ঘ) 120°। উত্তরঃ (গ) 90° ✓


৩৩। কোনো স্থানের জোয়ার ও ভাটার প্রকৃত ব্যবধান প্রায়— (ক) দু ঘণ্টার বেশি (খ) ছয় ঘণ্টার বেশি (গ) চার ঘণ্টার বেশি (ঘ) আট ঘণ্টার বেশি। উত্তরঃ (খ) ছয় ঘণ্টার বেশি ✓


৩৪। পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব সর্বাধিক হলে তাকে বলে— (ক) সিজিগি (খ) পেরিজি (গ) অ্যাপোজি (ঘ) অপসূর। উত্তরঃ (গ) অ্যাপোজি ✓


৩৫। দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হল— (ক) 6 ঘণ্টা 13 মিনিট (খ) 12 ঘণ্টা 26 মিনিট (গ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট (ঘ) কোনোটিই নয়। উত্তরঃ (গ) 24 ঘণ্টা 52 মিনিট  ✓


৩৬। মুখ্য জোয়ারের প্রতিপাদ স্থানে হয়— (ক) ভাটা (খ) ভরা জোয়ার (গ) গৌণ জোয়ার (ঘ) মরা কোটাল। উত্তরঃ (গ) গৌণ জোয়ার ✓


৩৭। পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থানকে বলে— (ক) যোগবিন্দু (খ) সংযোগ (গ) প্রতিযোগ (ঘ) অ্যাপোজি। উত্তরঃ (গ) প্রতিযোগ ✓


৩৮। বাঁড়াফাঁড়ির বান দেখা যায়— (ক) হুগলি নদীতে (খ) দামোদর নদে (গ) তিস্তা নদীতে (ঘ) নর্মদা নদীতে। উত্তরঃ (ক) হুগলি নদীতে ✓


৩৯। সর্বাধিক শক্তিশালী জোয়ার সংঘটিত হয়— (ক) পূর্ণিমাতে (খ) অমাবস্যায় (গ) অষ্টমীতে (ঘ) সপ্তমীতে। উত্তরঃ (খ) অমাবস্যায়  ✓


৪০। পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে যখন চাঁদ আসে তখন তাকে বলে— (ক) সংযোগ (খ) প্রতিযোগ (গ) মরা জোয়ার (ঘ) গৌণ জোয়ার। উত্তরঃ (ক) সংযোগ ✓


৪১। বানডাকা বা ষাঁড়াফাঁড়ির বান দেখা যায় প্রধানত— (ক) শীত ঋতুতে (খ) গ্রীষ্ম ঋতুতে (গ) বর্ষা ঋতুতে (ঘ) শরৎ ঋতুতে। উত্তরঃ (গ) বর্ষা ঋতুতে ✓


৪২। — এর সময় নদীতে বানডাকা হয়। (ক) ভরা কোটাল (খ) মরা কোটাল (গ) গৌণ জোয়ার (ঘ) পূর্ণিমা। উত্তরঃ (ক) ভরা কোটাল ✓


৪৩। নদীর মোহনায় ষাঁড়াফাঁড়ির বান দেখা যায়— (ক) অষ্টমীতে (খ) কৃষ্ণপক্ষে (গ) অমাবস্যায় (ঘ) মকর সংক্রান্তিতে। উত্তরঃ (গ) অমাবস্যায় ✓


৪৪। ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর কোনো স্থানে মোট জোয়ার-ভাটা হয়— (ক) তিনবার (খ) চারবার (গ) দুবার (ঘ) একবার। উত্তরঃ (খ) চারবার ✓


৪৫। ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো— (ক) চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর কেন্দ্রের একই সরলরেখায় অবস্থান— মরা কোটাল (খ) পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান— মরা কোটাল (গ) চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দূরত্ব— পেরিজি (ঘ) চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে সর্বনিম্ন দূরত্ব— অ্যাপোজি। উত্তরঃ (খ) পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান— মরা কোটাল ✓


৪৬। মুখ্য জোয়ারের যে কোণে ভাটা হয়, সেটি হল— (ক) 90° (খ) 60° (গ) 180° (ঘ) 45°। উত্তরঃ (ক) 90° ✓


৪৭। মরা কোটাল হয়— (ক) পূর্ণিমা তিথিতে (খ) অমাবস্যা তিথিতে (গ) অষ্টমী তিথিতে (ঘ) পঞ্চমী তিথিতে। উত্তরঃ (গ) অষ্টমী তিথিতে ✓


৪৮। ভরা কোটালে বা ভরা জোয়ারে পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্য থাকে— (ক) 30° (খ) 45° (গ) 90° (ঘ) 180° কোণে। উত্তরঃ (ঘ) 180° ✓


৪৯। পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম তখন যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তাকে বলে— (ক) ভরা কোটাল (খ) মরা কোটাল (গ) পেরিজি জোয়ার (ঘ) অ্যাপোজি জোয়ার। উত্তরঃ (গ) পেরিজি জোয়ার ✓


৫০। পেরিজির সঙ্গে সিজিগির মিলনে যে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয়, তাকে বলে— (ক) অ্যাপোজি (খ) প্রক্সিজিয়ান (গ) প্রপোজিয়ান (ঘ) পেরিজি। উত্তরঃ (খ) প্রক্সিজিয়ান ✓


৫১। — নদীতে বানডাকে না। (ক) টেমস (খ) লা-প্লাটা (গ) হুগলি (ঘ) নর্মদা। উত্তরঃ (ঘ) নর্মদা ✓

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url